গল্প: সম্পর্কের ভাঙনের শুরু থেকে শেষ
গল্প: সম্পর্কের ভাঙনের শুরু থেকে শেষ তন্ময়া ছিল স্বাধীনচেতা, আত্মবিশ্বাসী, কিন্তু সহজেই রেগে যেত। তার ব্যক্তিত্বে ছিল এক ধরনের তীক্ষ্ণতা, যা ভালোবাসার সম্পর্কেও প্রভাব ফেলেছিল। আর অনিক? তিনি ছিলেন নরম মনের মানুষ, তন্ময়ার রাগ-অভিমান সামলাতে সবসময় প্রস্তুত। তবে ধীরে ধীরে, তন্ময়ার অহংকার আর রাগ তাদের সম্পর্কের ফাটল আরও গভীর করে তুলতে থাকে। তন্ময়া প্রায়ই অনিককে শুনিয়ে বলত, “তুমি কিছুই পারো না। তোমার সঙ্গে থেকে আমার জীবনটা নষ্ট হয়ে গেছে।” এই কথাগুলো অনিককে ভেতর থেকে ভেঙে দিত। কিন্তু আরোহীর জন্য সব কিছু সহ্য করত সে। অনিকের বোঝাপড়া অনিক চুপচাপ ছিল, কারণ সে জানত, তন্ময়া যা বলে, সবসময় সেটা মনের কথা নয়। কিন্তু একদিন সেই চাপা অভিমান ফেটে পড়ল। “তুমি কি জানো, তন্ময়া? আমি তোমাকে ভালোবেসে সব মেনে নিই। কিন্তু তোমার প্রতিটি কথায় আমার আত্মমর্যাদা ক্ষতবিক্ষত হয়।” তন্ময়া এই কথার কোনো গুরুত্ব দিল না। বরং সে তীক্ষ্ণ স্বরে বলল, “তুমি কখনো নিজের সীমাবদ্ধতা স্বীকার করো না। আমাকে বোঝার চেষ্টা করো না।” আরোহীর প্রতি উপেক্ষা তাদের ঝগড়া এতটাই বেড়ে গিয়েছিল যে, আরোহীও এর প্রভাব থেকে মুক্ত ছিল না। বাবা-মায়ের মধ্...