গল্প: সেই বন্ধুত্ব
গল্প: সেই বন্ধুত্ব তিথি আর আদিত্য, দুজনেই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই খুব ঘনিষ্ঠ বন্ধু। ক্লাসের ফাঁকে, ক্যাম্পাসের আড্ডায়, নানান বিষয় নিয়ে কথোপকথনে তারা যেন অদ্ভুতভাবে মিলে গেছে। আদিত্য সহজ, মিশুক, আর কৌতুকপ্রিয়। তিথি একটু চুপচাপ, ভেতরে বেশ অনুভূতিপ্রবণ। দুজনের মধ্যে এমন একটা সম্পর্ক গড়ে উঠেছে, যা সহজেই বোঝা যায় না। তিথির বান্ধবীরা মাঝে মাঝে বলে, "আচ্ছা তুই আর আদিত্য এত কাছাকাছি থাকা সত্ত্বেও বন্ধুত্বের বাইরে আর কিছুই ভাবিস না?" তিথি হেসে বলে, "বন্ধুত্বের চেয়ে বেশি কিছু ভাবা হয়নি। আমাদের মাঝে আর কিছুর প্রয়োজন আছে বলে মনে হয় না।" কিন্তু মনে মনে সে নিজেও জানে যে, এই সম্পর্কটা যেন শুধুই বন্ধুত্বের দেয়ালে সীমাবদ্ধ নয়। দিনগুলো এগোতে থাকে। একদিন, আকাশে মেঘ জমে, বাতাসে একটা কেমন গা ছমছমে অনুভূতি। তিথি আর আদিত্য তখন ছাদের এক কোণে বসে গল্প করছিল। হঠাৎ এক মুহূর্তের নীরবতায় তিথির দিকে তাকিয়ে আদিত্য বলে ওঠে, "তুই আমার জীবনে কতটা গুরুত্বপূর্ণ জানিস?" তিথি একটু অবাক হয়ে তাকায়। "বন্ধু হিসেবে তো অবশ্যই," সে কথাটা বলে কি...