প্রেমের গল্প হাত বাড়িয়ে ছুঁই না তোকে মন বাড়িয়ে ছুঁই
প্রেমের গল্প হাত বাড়িয়ে ছুঁই না তোকে মন বাড়িয়ে ছুঁই ১ নিশিথের আঁধারে নদীর পাড়ে নেমে এলো তারা। সাদিক আর তার স্ত্রী রূপা। গ্রামের পুরোনো মাঝি আগে থেকেই প্রস্তুত ছিল নৌকাটা নিয়ে। সাদিকের এক পা পাড়ে, অন্য পা নৌকায়। হাত বাড়িয়ে রূপাকে নৌকায় ওঠালো। রূপা চিরকাল সাঁতার জানত না, কিন্তু নদীর টানে, নৌকার ভ্রমণে তার অদ্ভুত মুগ্ধতা ছিল। “একটু সাবধানে বসো, নৌকাটা ডুবতে পারে।” সাদিকের কথায় মৃদু হাসল রূপা। নৌকাটা ধীরে ধীরে নদীর মাঝখানে ভেসে চলল। চাঁদের আলোয় নদীর জল রুপোর মতো ঝলমল করছে। হালকা বাতাসে রূপার চুল এলোমেলো হয়ে গেছে। চোখ বন্ধ করে নিঃশ্বাস নিলো সে। মন চলে গেল অতীতে—যেখানে ছিল প্রেম, সুখ আর অশ্রুভেজা বিদায়। ২ তখন রূপার বয়স সবে কুড়ি। শহরের ব্যস্ত জীবনের বাইরে, গ্রামের স্কুলের মাঠে প্রথম দেখেছিল আবিদকে। আবিদ ছিল মৃদুভাষী, গম্ভীর কিন্তু অদ্ভুত এক আকর্ষণ ছিল তার চোখে। তাদের প্রেম জমে উঠেছিল ঠিক নদীর মতো—শান্ত কিন্তু গভীর। এক রাতে আবিদ তাকে বলেছিল, “তোমার নৌকায় ওঠার এত শখ! আমি তোমাকে একদিন এমন জায়গায় নিয়ে যাব, যেখানে শুধু তুমি আর আমি, আর মাঝখানে নদী থাকবে।” সেই রাতে তারা গিয়েছিল নদীর পাড়ে। আবি...