ভুতের গল্প বিলকুরিয়া গ্রামের অভিশপ্ত আত্মা
ভুতের গল্প
বিলকুরিয়া গ্রামের অভিশপ্ত আত্মা
বিলকুরিয়া গ্রামে পূর্ণিমার রাতগুলো কখনোই স্বাভাবিক নয়। প্রতি পূর্ণিমার রাতে এখানে ঘটে যায় এক অলৌকিক কাণ্ড। এই রাতে দরকার হয় একজন জীবিত মানুষ, যে হবে মৃতদের ক্ষুধার শিকার। কিন্তু এবার গল্পটা একটু অন্যরকম।
রফিক সাহেব, শহরের বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন বিশিষ্ট অধ্যাপক, গ্রামের গল্পগাথায় মোটেও বিশ্বাসী নন। তার ছাত্র রিয়াদ হাসানের বাড়ি থেকে মাগুর মাছের ঝোল খাওয়ার আমন্ত্রণ পেয়ে গ্রামের দিকে রওনা হন।
দিনটা খুব সুন্দরভাবেই শুরু হয়েছিল। রফিক সাহেব সকালে গ্রামের পথে রওনা দেন রিয়াদের আমন্ত্রণে। গ্রামের সবুজ-শ্যামল দৃশ্য দেখে তিনি বিমোহিত হন। পথে রিয়াদের সাথে কথা বলতে বলতে গ্রামের মনোরম পরিবেশে মগ্ন হয়ে যান।
রফিক সাহেব বলেন, “তোমাদের গ্রামটা যেন সত্যি একটা শান্তির জায়গা। আর এখানে এসে এতটা ভালো লাগছে যে, মনে হয় কয়েকদিন এখানেই থেকে যাই।”
রিয়াদ একটু সশব্দে হাসল, তবে তার হাসির মধ্যে ছিল একরকম চাপা ভাবনা। সে বলল, “স্যার, আমাদের গ্রামে থাকা এত সহজ নয়। প্রতি পূর্ণিমায় এখানে এক অদ্ভুত ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটে।”
রফিক সাহেব কথাটা হেসে উড়িয়ে দিয়ে বললেন, “এসব তো গ্রামের গল্পগাথা। বিজ্ঞান দিয়ে সবকিছু ব্যাখ্যা করা যায়।”
রিয়াদ আর কথা বাড়ায়নি, কারণ সে জানে তার গ্রামের অভিশাপ কতটা সত্যি।
শহর থেকে আসা অধ্যাপক রফিক সাহেব জানতেন না, তিনি একটা অভিশপ্ত খেলায় নিজেকে জড়িয়ে ফেলেছেন। গ্রামের এই অভিশাপের ব্যাপারে তিনি অনেক কথা শুনেছেন। তিনি কুসংস্কার ভেবে উড়িয়ে দিতেন।
বিলকুরিয়া গ্রামের কাহিনীটা এতটাই অদ্ভুত যে, শুনলে কেউ বিশ্বাসই করতে চাইবে না। গ্রামটা যেন প্রতি পূর্ণিমায় একটা অভিশাপ বয়ে আনে। এই রাতে এখানে দরকার হয় একজন জীবিত মানুষ, যে হবে মৃতদের ক্ষুধার শিকার।
রিয়াদের মায়ের রান্নার গুণকীর্তন এত শুনেছেন যে, একদিন গ্রামের বাড়িতে যাওয়ার আমন্ত্রণ পেয়ে তিনি আর না করেননি। এমনিতেই তিনি ভ্রমণপ্রিয়, আর গ্রামে গিয়ে আসল দেশি মাছের ঝোল খাওয়ার লোভ সামলাতে পারেননি।
সকালবেলা শহর থেকে রফিক সাহেব গ্রামের পথে আসেন। পথে যেতে যেতে চারপাশের প্রাকৃতিক দৃশ্য, ধানের ক্ষেত, পাখির ডাক এবং গ্রামের স্বাভাবিক জীবনের মধ্যে নিজেকে হারিয়ে ফেলেন। তিনি রিয়াদের সাথে গ্রামের কথা ও গ্রামের সরল জীবন নিয়ে কথা বলেন।
রিয়াদ তার গ্রাম, তার শৈশব, এবং তার মায়ের রান্নার প্রশংসা করতে করতে তাঁকে বাড়ির দিকে নিয়ে আসে। রিয়াদের মা রফিক সাহেবকে হাসিমুখে বরণ করেন, আর সকালে গরম ভাতের সাথে মাগুর মাছের ঝোলের ব্যবস্থা করেন।
এদিকে রিয়াদ নিজেও বেশ চিন্তিত। যদিও সে স্যারকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে, কিন্তু জানে আজ পূর্ণিমার রাত। গ্রামের বিধি অনুযায়ী, তাদের গ্রামের কেউ না কেউ এবার সেই পুরনো নিয়মের শিকার হতে পারে।
রফিক সাহেব রিয়াদ হাসানকে বললেন, “তোমার মা সত্যি অসাধারণ রাঁধেন, এতো সুস্বাদু মাছের ঝোল আমি জীবনে খাইনি।”
রিয়াদ হালকা হাসলো, কিন্তু তার মনে একটাই প্রশ্ন—আজ রাতে কাকে সেই পুরনো নিয়মের শিকার হতে হবে? তাদের গ্রামের প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, পূর্ণিমার রাতে একটি নির্দিষ্ট বাড়িতে মৃত আত্মারা এসে হাজির হয়, আর তাদের ক্ষুধা মেটাতে প্রয়োজন হয় একজন জীবিত মানুষ।
খাওয়াদাওয়ার পর রফিক সাহেব গ্রামের চারপাশে ঘুরতে বের হন। প্রথমে সবকিছুই স্বাভাবিক মনে হয়। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি কিছু অস্বাভাবিক বিষয় লক্ষ্য করেন
মাঠের মাঝখানে পুরোনো একটি বটগাছের শেকড়ের চারপাশে কিছু অদ্ভুত মাটির চিহ্ন, যেগুলো দেখতে মানুষের পায়ের ছাপের মতো কিন্তু সেগুলো হঠাৎই মাটিতে মিশে যায়।
আরেকটি বিষয় লক্ষ করেন যে, গ্রামের এক প্রান্তে কিছু পাখি উড়ছে না, তারা স্থির হয়ে বসে আছে, যেন কিছু অপেক্ষা করছে।
বিকেল নাগাদ গ্রামে এক অদ্ভুত নীরবতা নেমে আসে। তিনি গ্রামের কয়েকজন প্রবীণ ব্যক্তির সাথে কথা বলেন। তাদের চেহারায় একটা চাপা ভয় লুকানো।
তারা তাকে গ্রামের নির্দিষ্ট কিছু স্থানের কাছাকাছি যেতে নিষেধ করেন, বিশেষত গ্রামের পুরনো কুয়ো আর শ্মশানের দিকটাতে যেতে নিষেধ করেন।
একজন বৃদ্ধা বলেন, “এই গ্রামে দিন আর রাতের পার্থক্য সবসময় থাকে না, বিশেষ কিছু রাত আসলে আমাদের সাবধানে থাকতে হয়।”
একজন বৃদ্ধ বলেন, “বাবা, এই রাতে সাবধানে থাকো। আমাদের গ্রামে রাত আর দিনের মাঝে কোনো পার্থক্য থাকে না, বিশেষ করে পূর্ণিমার রাতে। কিছু একটা আমাদের দিকে তাড়া করে বেড়ায়।”
রিয়াদের চাচা হাজী করিম সাহেব রফিক সাহেবকে সতর্ক করেন, “আপনি শহর থেকে এসেছেন, কিন্তু এখানে এইসব কথা বলতে সাবধান হন। পূর্ণিমার রাতের ভয় আমাদের গ্রামেরই অংশ। আজ রাতটা সাবধানে কাটান।”
রফিক সাহেব ব্যাপারটিকে খুব একটা গুরুত্ব দেন না, বরং এটাকে গ্রামের প্রচলিত কুসংস্কার বলে মনে করেন। কিন্তু প্রবীণদের ভীতিকর মুখ দেখে তারও মনে কিছুটা ভয় জমতে শুরু করে।
বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যার কাছে চলে এলে হঠাৎ করেই আকাশে মেঘ জমে যায়, আর পূর্ণিমার আলোর একটা অদ্ভুত ছায়া চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে। মনে হয় যেন দিনের আলো থাকার পরেও কিছু অস্বাভাবিক অন্ধকার গ্রামটাকে ঘিরে ফেলেছে।
গ্রামের বাচ্চারা হঠাৎ করেই খেলা থামিয়ে ঘরের দিকে চলে যায়, আর নারীরা দ্রুত ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ করতে থাকে।
রফিক সাহেব এই অদ্ভুত পরিবর্তন দেখে কিছুটা বিস্মিত হন। রিয়াদ তাকে দ্রুত ঘরে ফিরে যেতে অনুরোধ করে। সে বলে, “আজকের রাতটা আমাদের গ্রামে অশুভ বলে গণ্য হয়, বিশেষ করে পূর্ণিমার রাতে। রাত যত গভীর হয়, তত বেশি আমাদের সাবধান থাকতে হয়।”
সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে চারপাশে কুয়াশার মতো কিছু একটা নেমে আসে, যেন রাত আগেই এসে গেছে। গ্রামের পরিবেশ আরও থমথমে হয়ে ওঠে।
দূরের কুয়ো থেকে হালকা পানির ছলাৎ ছলাৎ শব্দ ভেসে আসে, যদিও কুয়োটা বেশ দূরে এবং আশেপাশে কেউ নেই। বাতাসে যেন একটা শীতল অনুভূতি তৈরি হয়, যা রফিক সাহেবের মেরুদণ্ড দিয়ে বয়ে যায়।
রাত যত ঘনিয়ে আসে, চারপাশে যেন অন্ধকারের একটি অদ্ভুত ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে। আকাশে মেঘ জমে, আর পূর্ণিমার আলোয় আশপাশের গাছগুলোয় ছায়া পড়ে।
সেই ছায়াগুলো এমনভাবে নাড়াচাড়া করে, যেন সেখানে কেউ লুকিয়ে আছে। রফিক সাহেব অবাক হয়ে লক্ষ্য করেন, গ্রামের মানুষজন সবাই দরজা জানালা বন্ধ করে দিচ্ছে।
রাতের খাবার খেতে খেতে রিয়াদের মা-বাবার চেহারায় একটা অদ্ভুত দুশ্চিন্তার ছাপ পড়েছে। রিয়াদের মা তাকে একদম কড়া গলায় বলেন, “বাবা, আজ রাতে দয়া করে কোনোভাবেই ঘরের বাইরে যেয়ো না।”
রাতে খাবার পর সবার মধ্যে যেন চাপা আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। রিয়াদ হাসানের ছোট বোন নীলা ভয়ে ভয়ে বললো, “আজ আবার পূর্ণিমা। মা, আমাদের কি আবারো কাউকে নিয়ে যাবে।
রহিমা বেগম এক গ্লাস পানি নিয়ে বললেন, “গ্রামের নিয়মই এমন। আমরা কিছু করতে পারি না। তবে আল্লাহ আমাদের রক্ষা করুন।”
এসময় রিয়াদ হাসানের বাবা আলী হোসেন গম্ভীর মুখে বললেন, “শান্ত হও সবাই। আজ রাতে আমরা দরজা জানালা বন্ধ করে থাকবো। কোনো কিছু শুনতে পাবে না কেউ। আর কেউ বাইরে বের হবে না।”
রফিক সাহেব কিছুটা হাসি মুখে ব্যাপারটিকে হালকাভাবে নেন, কিন্তু রিয়াদের মা-বাবার চেহারায় কোনো স্বাভাবিকতার আভাস নেই।
খাবারের পর রফিক সাহেব কিছুটা ভারী অনুভব করেন, চোখে ঘুম চলে আসে। তিনি তার ঘরে গিয়ে শুয়ে পড়েন। রাত গভীর হওয়ার সাথে সাথে হঠাৎ ঘরের বাইরে থেকে অদ্ভুত একটা ছমছমে আওয়াজ আসতে থাকে।
জানালা দিয়ে তাকালে দেখেন, কুয়াশার মধ্যে দিয়ে কয়েকটি অদ্ভুত ছায়া রাস্তায় চলাফেরা করছে। তারা যেন কোনো একজন জীবিত মানুষের সন্ধানে এসেছে।
তিনি জানালার পাশে দাঁড়াতেই দেখলেন, গ্রামের মাঝখানে কুয়াশার মধ্য দিয়ে একদল ছায়ামূর্তি এগিয়ে আসছে। তাদের মুখগুলো যেন বিবর্ণ, চোখগুলোতে অন্ধকারের ছায়া, আর সবার হাতে ছিল লাঠি, কুড়াল আর চেইনের মতো কিছু কিছু।
হঠাৎ মনে হলো, তাদের একটাই উদ্দেশ্য—একজন জীবিত মানুষকে টেনে হিঁচড়ে নিয়ে যাওয়া। তিনি জানালার কাছে দাঁড়িয়ে দেখলেন, তারা সবাই যেন অন্ধকারের মাঝে হেঁটে চলছে, আর রাস্তায় কোনো মানুষের চিহ্ন নেই।
রফিক সাহেব চিৎকার করতে চাইলেন, কিন্তু গলা দিয়ে কোনো শব্দ বের হল না। এক অদ্ভুত শীতল স্রোত তার শরীর বেয়ে বয়ে যাচ্ছে। তিনি জানালার পর্দা টেনে দিলেন এবং শয্যায় বসে থাকলেন নিঃশব্দে, ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে।
তিনি জানালার পর্দা টেনে ঘরের ভেতর বসে থাকেন, কাঁপতে কাঁপতে। রাত যতই গভীর হয়, ততই অশুভ পরিবেশ তার দিকে আসতে থাকে। ঠিক তখনই তার ঘরের দরজায় হালকা চাপড়ের শব্দ হয়। ভয়ে তার সমস্ত শরীর কেঁপে ওঠে। মনে হলো যেন কিছু একটা তার ঘরের দিকে এগিয়ে আসছে।
ধীরে ধীরে শব্দটা তার ঘরের দরজার সামনে থামল। হালকা ধাক্কা, এরপর আরেকটা ধাক্কা। সে জানে না এটা কী, তবে তার মনে হলো দরজার বাইরে কেউ আছে।
হঠাৎ করে দরজা নিজে থেকে খুলে গেল। দরজার ফাঁক দিয়ে একটা মায়াবী আলো ঘরে ঢুকলো। তার চোখ মেলে তাকাতেই দেখলেন একজন বৃদ্ধা নারী দাঁড়িয়ে আছে। তিনি বললেন, “আমাদের রাতের খাবার প্রয়োজন। অনেকদিন ধরে ক্ষুধার্ত আছি আমরা।”
রফিক সাহেব বুঝতে পারলেন, এ কোনো মানুষ নয়। তার গায়ে হিম শীতল একটা অনুভূতি ছড়িয়ে পড়লো। বৃদ্ধা আরেকবার বললেন, “আমরা ক্ষুধার্ত। পূর্ণিমার রাতের খাবার না পেলে আমরা শান্তি পাই না।”
তিনি কিছু বলার চেষ্টা করলেন, কিন্তু তার কণ্ঠ আটকে গেল। বৃদ্ধা ধীরে ধীরে তার দিকে এগিয়ে আসতে লাগলেন। রফিক সাহেব শীতল ঘামে ভিজে গেলেন।
বৃদ্ধা দেখতে দেখতে রফিকের মা রহিমা বেগের রুপ নিল এবং ধীরে ধীরে তার দিকে এগিয়ে আসেন, তার চোখে এক অদ্ভুত জ্যোতি।
রিয়াদ ও তার চোখে অদ্ভুত কৌতূহল নিয়ে বলল, “স্যার, এ গ্রামে পূর্ণিমার রাতে আমাদের আত্মারা ক্ষুধার্ত থাকে। আপনি হচ্ছেন আমাদের আজকের অতিথি।”
তিনি কিছু বলার চেষ্টা করলেন, কিন্তু তার কণ্ঠ আটকে গেল। রহিমা বেগম ধীরে ধীরে তার দিকে এগিয়ে আসতে লাগলেন। রফিক সাহেব শীতল ঘামে ভিজে গেলেন।
রফিক সাহেব দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন, কিন্তু রহিমা বেগম দরজার সামনে দাঁড়িয়ে পড়েন। তিনি দেখেন, চারপাশে তার ছাত্রের পরিবারের অন্য সদস্যরা যেন আত্মার মতো ঘিরে দাঁড়িয়েছে।
মনে হচ্ছিল, শরীরের সমস্ত শক্তি হারিয়ে যাচ্ছে। রফিক সাহেব কোনো কথা বলতে পারেন না ।
হঠাৎ করে কেমন যেন একটা ঝটকা দিয়ে তার শরীর অচেতন হয়ে যায়। অচতন হবার আগে গলা থেকে জোড়ে একটা আত্মচিৎকার বের গেল। সে চিৎকারে গ্রামবাসী কেঁপে উঠলো। এবং রফিক সাহেবের প্রাণবায়ু বের হয়ে গেল।
সেই মৃত দেহ খুবলে খুবলে খেল, রিয়াদের পরিবার। আর পৈশাচিক আনন্দ উন্মত্ত হলো। তাদের চেহার আর মানুষের মত রইলো না, ভয়াবহ দানব যেন এক একটা।
রাত গভীর হতে হতে ভোরের আলো ফুটতে থাকে, আর বিলকুরিয়া গ্রামের অভিশপ্ত পূর্ণিমায় রফিক সাহেবের আর্তনাদ ক্রমশ নিস্তব্ধ হয়ে যায়।
সকালবেলা গ্রামবাসী ও রিয়াদের পরিবার রফিক সাহেবের ঘরের দরজায় করাঘাত করে, কিন্তু কোনো সাড়া নেই।
দরজা খুলে দেখে রফিক সাহেবের অর্ধ খাওয়া নিথর দেহ পড়ে আছে, মুখে অদ্ভুত এক হাসি। তাদের বুঝতে বাকি নেই, পূর্ণিমার রাতের অতিথি তিনি হয়েই এলেন।
গ্রামের মানুষজন জানে, পূর্ণিমার রাতের এই ভয়াবহ অভিশাপ তাদের জীবন থেকে আর কোনোদিনও মুছে যাবে না।
কিন্তু রিয়াদের পরিবার জানে প্রতি পূর্ণিমারাতে, বিলকুরিয়া গ্রামের একজন মানুষ কেন মর্মান্তিক মৃত্যুর শিকার হয়।


%20(8).jpeg)
সুন্দর
ReplyDeleteসুন্দর
ReplyDelete